Music BY JUHAN LIIV

Music

BY JUHAN LIIV

TRANSLATED FROM THE ESTONIAN BY H.L. HIX & JÜRI TALVET

It must be somewhere, the original harmony,
somewhere in great nature, hidden.
Is it in the furious infinite,
in distant stars’ orbits,
is it in the sun’s scorn,
in a tiny flower, in treegossip,
in heartmusic’s mothersong
or in tears?
It must be somewhere, immortality,
somewhere the original harmony must be found:
how else could it infuse
the human soul,
that music?
Advertisements

Louise Bogan – “The Alchemist” (1923)

The Alchemist

I burned my life, that I may find
A passion wholly of the mind,
Thought divorced from eye and bone
Ecstasy come to breath alone.
I broke my life, to seek relief
From the flawed light of love and grief.

With mounting beat the utter fire
Charred existence and desire.
It died low, ceased its sudden thresh.
I had found unmysterious flesh–
Not the mind’s avid substance–still
Passionate beyond the will.

…………….from Body of this Death: Poems (1923)

Nathicana By H. P. Lovecraft

The eternal fire of hell….And the fire is biting like a frozen air. 

hellfire

Nathicana

ornatop

It was in the pale garden of Zaïs;
The mist-shrouded gardens of Zaïs,
Where blossoms the white nephalotë,
The redolent herald of midnight.
There slumber the still lakes of crystal,
And streamlets that flow without murm’ring;
Smooth streamlets from caverns of Kathos
Where brood the calm spirits of twilight.
And over the lakes and the streamlets
Are bridges of pure alabaster,
White bridges all cunningly carven
With figures of fairies and daemons.
Here glimmer strange suns and strange planets,
And strange is the crescent Banapis
That sets ’yond the ivy-grown ramparts
Where thickens the dust of the evening.
Here fall the white vapours of Yabon;
And here in the swirl of vapours
I saw the divine Nathicana;
The garlanded, white Nathicana;
The slender, black-hair’d Nathicana;
The sloe-ey’d, red-lipp’d Nathicana;
The silver-voic’d, sweet Nathicana;
The pale-rob’d, belov’d Nathicana.
And ever was she my belovèd,
From ages when Time was unfashion’d;
From days when the stars were not fashion’d
Nor any thing fashion’d but Yabon.
And here dwelt we ever and ever,
The innocent children of Zaïs,
At peace in the paths and the arbours,
White-crown’d with the blest nephalotë.
How oft would we float in the twilight
O’er flow’r-cover’d pastures and hillsides
All white with the lowly astalthon;
The lowly yet lovely astalthon,
And dream in a world made of dreaming
The dreams that are fairer than Aidenn;
Bright dreams that are truer than reason!
So dream’d and so lov’d we thro’ ages,
Till came the curs’d season of Dzannin;
The daemon-damn’d season of Dzannin;
When red shone the suns and the planets,
And red gleamed the crescent Banapis,
And red fell the vapours of Yabon.
Then redden’d the blossoms and streamlets
And lakes that lay under the bridges,
And even the calm alabaster
Glow’d pink with uncanny reflections
Till all the carv’d fairies and daemons
Leer’d redly from the backgrounds of shadow.
Now redden’d my vision, and madly
I strove to peer thro’ the dense curtain
And glimpse the divine Nathicana;
The pure, ever-pale Nathicana;
The lov’d, the unchang’d Nathicana.
But vortex on vortex of madness
Beclouded my labouring vision;
My damnable, reddening vision
That built a new world for my seeing;
A new world of redness and darkness,
A horrible coma call’d living.
So now in this coma call’d living
I view the bright phantons of beauty;
The false, hollow phantoms of beauty
That cloak all the evils of Dzannin.
I view them with infinite longing,
So like do they seem to my lov’d one;
So shapely and fair like my lov’d one;
Yet foul from their eyes shines their evil;
Their cruel and pitiless evil,
More evil than Thaphron and Latgoz,
Twice ill for its gorgeous concealment.
And only in slumbers of midnight
Appears the lost maid Nathicana,
The pallid, the pure Nathicana,
Who fades at the glance of the dreamer.
Again and again do I seek her;
I woo with deep draughts of Plathotis,
Deep draughts brew’d in wine of Astarte
And strengthen’d with tears of long weeping.
I yearn for the gardens of Zaïs;
The lovely lost garden of Zaïs
Where blossoms the white nephalotë,
The redolent herald of midnight.
The last potent draught I am brewing;
A draught that the daemons delight in;
A draught that will banish the redness;
The horrible coma call’d living.
Soon, soon, if I fail not in brewing,
The redness and madness will vanish,
And deep in the worm-peopled darkness
Will rot the base chains that hav bound me.
Once more shall the gardens of Zaïs
Dawn white on my long-tortur’d vision,
And there midst the vapours of Yabon
Will stand the divine Nathicana;
The deathless, restor’d Nathicana
Whose like is not met with in living.

ornabot

Sukanta Bhattacharya ( সুকান্ত ভট্টাচার্য ) King of Unspokens

Sukanta unleashed his venomous words against  socialist thoughts and embodied true patriotism. His words are like merciless armour which can pierce the flesh and bones unlike anything. His words ignites fire like a blaze in the sky. He speaks for the undesired and unspoken. A true rebel and legend.

Here i remember this morbid legend.

1la-may-er-kobita-140226004525-phpapp01-thumbnail-4 deshlai-kathi-by-sukanta-bhattacharya-1-638 lenin-by-sukanta-bhattacharya-1-1024

আঠারো বছর বয়স – সুকান্ত ভট্টাচার্য

আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ
র্স্পধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি,
আঠারো বছর বয়সেই অহরহ
বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি।

আঠারো বছর বয়সের নেই ভয়
পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা,
এ বয়সে কেউ মাথা নোয়াবার নয়–
আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা।

এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য
বাষ্পের বেগে স্টিমারের মতো চলে,
প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য
সঁপে আত্মাকে শপথের কোলাহলে।

আঠরো বছর বয়স ভয়ঙ্কর
তাজা তাজা প্রাণে অসহ্য যন্ত্রণা,
এ বয়সে প্রাণ তীব্র আর প্রখর
এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা।

আঠারো বছর বয়স যে দুর্বার
পথে প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান,
দুর্যোগে হাল ঠিক মতো রাখা ভার
ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ।

আঠারো বছর বয়সে আঘাত আসে
অবিশ্র্রান্ত; একে একে হয় জড়ো,
এ বয়স কালো লক্ষ দীর্ঘশ্বাসে
এ বয়স কাঁপে বেদনায় থরোথরো।

তব আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি,
এ বয়স বাঁচে দুর্যোগে আর ঝড়ে,
বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী
এ বয়স তবু নতুন কিছু তো করে।

এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয়
পথ চলতে এ বয়স যায় না থেমে,
এ বয়সে তাই নেই কোনো সংশয়–
এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।।

sukanta_durashar_mrittu

ছাড়পত্র – সুকান্ত ভট্টাচার্য

যে শিশু ভূমিষ্ট হল আজ রাত্রে
তার মুখে খবর পেলুমঃ
সে পেয়েছে ছাড়পত্র এক,
নতুন বিশ্বের দ্বারে তাই ব্যক্ত করে অধিকার
জন্মমাত্র সুতীব্র চীৎকারে।
খর্বদেহ নিঃসহায়, তবু তার মুষ্টিবদ্ধ হাত
উত্তোলিত, উদ্ভাসিত
কী এক দুর্বোধ্য প্রতিজ্ঞায়।
সে ভাষা বুঝে না কেউ,
কেউ হাসে, কেউ করে মৃদু তিরস্কার।
আমি কিন্তু মনে মনে বুঝেছি সে ভাষা
পেয়েছি নতুন চিঠি আসন্ন যুগের-
পরিচয়-পত্র পড়ি ভূমিষ্ট শিশুর
অস্পষ্ট কুয়াশাভরা চোখে।
এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান;
জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ, মৃত আর ধ্বংসস্তুপ-পিঠে
চলে যেতে হবে আমাদের।
চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ
প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল
এ বিশ্বকে এ-শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি-
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
অবশেষে সব কাজ সেরে,
আমার দেহের রক্তে নতুন শিশুকে
করে যাব আশীর্বাদ,

তারপর হব ইতিহাস।।

Michael Madhusudan Dutt (মাইকেল মধুসূদন দত্ত)

Michael Madhusudan Dutt (মাইকেল মধুসূদন দত্ত) (1824-1873) – one of the greatest Bengali poets, a pioneer in Bangla drama and sonnets.

The Epic “Meghnad-Badh” is really a rare treasure in Bengali literature. Through his writings, the richness of Bengali literature has been proclaimed to the wide world.” Bankim Chandra Chatterjee proclaimed the poem as “on the whole the most valuable work in modern Bengali literature.”

Here i proudly remember some of his works in mighty Bengal land.

maxresdefault

MMD.enlarged

michael_madhusudan_dutta_somadhi_lipi

[ বঙ্গভাষা ]
হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন;-
তা সবে, (অবোধ আমি!) অবহেলা করি,
পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমণ
পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।
কাটাইনু বহু দিন সুখ পরিহরি।
অনিদ্রায়, নিরাহারে সঁপি কায়, মনঃ,
মজিনু বিফল তপে অবরেণ্যে বরি;-
কেলিনু শৈবালে; ভুলি কমল-কানন!
স্বপ্নে তব কুললক্ষ্মী কয়ে দিলা পরে-
“ওরে বাছা, মাতৃকোষে রতনের রাজি,
এ ভিখারী-দশা তবে কেন তোর আজি?
যা ফিরি, অজ্ঞান তুই, যা রে ফিরি ঘরে!”
পালিলাম আজ্ঞা সুখে; পাইলাম কালে
মাতৃ-ভাষা-রূপে খনি, পূর্ণ মণিজালে॥

[ আত্মবিলাপ ]
আশার ছলনে ভুলি কী ফল লভিনু,হায়,
তাই ভাবী মনে?
জীবন-প্রবাহ বহি কাল-সিন্ধু পানে যায়,
ফিরাব কেমনে?
দিন দিন আয়ুহীন হীনবল দিন দিন ,–
তবু এ আশার নেশা ছুটিল না? এ কি দায়!

রে প্রমত্ত মন মম! কবে পোহাইবে রাতি?
জাগিবি রে কবে?
জীবন-উদ্যানে তোর যৌবন-কুসুম-ভাতি
কত দিন রবে?
নীর বিন্ধু, দূর্বাদলে,নিত্য কিরে ঝলঝলে?
কে না জানে অম্বুবিম্ব অম্বুমুখে সদ্যঃপাতি?

নিশার স্বপন-সুখে সুখী যে কী সুখ তার?
জাগে সে কাঁদিতে!
ক্ষণপ্রভা প্রভা -দানে বাড়ায় মাত্ত আঁধার
পথিকে ধাঁদিতে!
মরীচিকা মরুদেশে,নাশে প্রাণ তৃষাক্লেশে–
এ তিনের ছল সম ছল রে এ কু-আশার।

প্রেমের নিগড় গড়ি পরিলি চরণে সাদে
কী ফল লভিলি?
জ্বলন্ত-পাবক-শিখা-লোভে তুই কাল ফাঁদে
উড়িয়া পড়িলি
পতঙ্গ যে রঙ্গে ধায়,ধাইলি,অবোধ,হায়
না দেখলি না শুনিলি,এবে রে পরাণ কাঁদে

বাকি কি রাখিলি তুই বৃথা অর্থ-অন্বেষণে,
সে সাধ সাধিতে?
ক্ষত মাত্ত হাত তোর মৃণাল-কণ্টকগণে
কমল তুলিতে
নারিলি হরিতে মণি, দঃশিল কেবল ফণী
এ বিষম বিষজ্বালা ভুলিবি, মন,কেমনে!

যশোলাভ লোভে আয়ু কত যে ব্যয়িলি হায়,
কব তা কাহারে?
সুগন্ধ কুসুম-গন্ধে অন্ধ কীট যথা ধায়,
কাটিতে তাহারে?
মাৎসর্য-বিষদশন, কামড়ে রে অনুক্ষণ!
এই কি লভিলি লাভ,অনাহারে,অনিদ্রায়?

মুকুতা-ফলের লোভে,ডুবে রে অতল জলে
যতনে ধীবর,
শতমুক্তাধিক আয়ু কালসিন্ধু জলতলে
ফেলিস,পামড়!
ফিরি দিবি হারাধন,কে তোরে,অবোধ মন,
হায় রে,ভুলিবি কত আশার কুহক-ছলে!

[ ইতালি ]
ইতালি, বিখ্যাত দেশ, কাব্যের কানন,
বহুবিধ পিক যথা গায় মধুস্বরে,
সঙ্গীত‐সুধার রস করি বরিষণ,
বাসন্ত আমোদে আমোদ মন পূরি নিরন্তরে;—
সে দেশে জনম পূর্বে করিলা গ্রহণ
ফ্রাঞ্চিস্কো পেতরাকা কবি; বাক্দেবীর বরে
বড়ই যশস্বী সাধু, কবি‐কুল‐ধন,
রসনা অমৃতে সিক্ত, স্বর্ণ বীণা করে।
কাব্যের খনিতে পেয়ে এই ক্ষুদ্র মণি,
স্বমন্দিরে প্রদানিলা বাণীর চরণে
কবীন্দ্র: প্রসন্নভাবে গ্রহিলা জননী
(মনোনীত বর দিয়া) এ উপকরণে।
ভারতে ভারতী‐পদ উপযুক্ত গণি,
উপহাররূপে আজি অরপি রতনে॥

“Alone” by Edgar Allan Poe

qoqHSpQr

From childhood’s hour I have not been
As others were—I have not seen
As others saw—I could not bring
My passions from a common spring—
From the same source I have not taken
My sorrow—I could not awaken
My heart to joy at the same tone—
And all I lov’d—I lov’d alone—
Then—in my childhood—in the dawn
Of a most stormy life—was drawn
From ev’ry depth of good and ill
The mystery which binds me still—
From the torrent, or the fountain—
From the red cliff of the mountain—
From the sun that ’round me roll’d
In its autumn tint of gold—
From the lightning in the sky
As it pass’d me flying by—
From the thunder, and the storm—
And the cloud that took the form
(When the rest of Heaven was blue)
Of a demon in my view—

images

[published 1875]